মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির পর চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল অনেকটা স্বাভাবিক হলেও কিছু কিছু ফ্লাইট এখনো ধারাবাহিকভাবে বাতিল হচ্ছে।
ফ্লাইট বাতিল
জার্মানির জাতীয় বিমান সংস্থা লুফথানসার কর্মীদের চলমান ধর্মঘটের জেরে দেশটির আকাশপথে চলাচলে বড় ধরনের বিপর্যয় তৈরি হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির প্রভাবে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে এসেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শাহ আমানত বিমানবন্দরের ৩০৬টি মধ্যপ্রাচ্যের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মোট ১ হাজার ৬০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ রবিবার পর্যন্ত এই ফ্লাইটগুলো বাতিল করা হয়।
ইরানে হামলা পাল্টা হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুইদিনে আরও ১৯টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট তীব্রতর হওয়ায় আকাশপথে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ড বন্ধ থাকায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই দিনে আরও ১৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ অনিরাপদের কারণে মঙ্গলবার আরো ৪টি ফ্লাইট বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান নিরাপত্তা সংকট, আকাশসীমা বন্ধ এবং আঞ্চলিক অস্থিরতার প্রভাবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত এক মাসে বড় ধরনের ফ্লাইট বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।